News

পড়া না পারায় ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতাল পাঠালেন শিক্ষক

পড়া না পারায় ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতাল পাঠালেন শিক্ষক পড় ন প র য় ছ ত - মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে রাজবাড়ীর বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি ঘটনা

Desk News
Published May 12, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : John Taylor - banglabeacon.com

পড়া না পারায় ছাত্রকে পিটিয়ে হাসপাতাল পাঠালেন শিক্ষক

Banglabeacon.com – পড় ন প র য় ছ ত – মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে রাজবাড়ীর বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি ঘটনা ঘটে। সেখানে প্রথম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মো. তাছিন মুন্সী (১৩) কে বেত্রাঘাতে করে আহত করেন শিক্ষক মো. আহাদ হোসেন। তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করেন এবং অনুতপ্ত ভাবে কথা বলেন।

আহত ছাত্র মো. তাছিন মুন্সী মৌরাট ইউনিয়নের মালঞ্চি এলাকায় সবুজ মুন্সীর ছেলে। সে বাগদুলী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। পরিস্থিতি শান্ত করতে স্থানীয় ও অভিভাবকরা বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন। সেই সময় অভিযুক্ত শিক্ষককে লাইব্রেবিতে আটকে রাখেন প্রধান শিক্ষক।

শিক্ষক আহাদ হোসেন কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নের খরখরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক। বিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ছাত্র তাছিন মুন্সী পড়া না পারার কারণে প্রথমে বেত্রাঘাত করেন শিক্ষক। পরে তাকে ক্লাসরুমের ফ্লোরে ফেলে নির্মমভাবে লাথি মারেন। ছাত্রদের বলেন, ‘স্যার পড়া না পারার জন্য বেত দিয়ে ২টা করে আঘাত করেছেন। তবে তাছিনকে বেশি বেত মারেন।’

অভিযুক্ত শিক্ষক পরিচয়

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালীন পড়া না পারায় ছাত্র তাছিন মুন্সীকে প্রথমে বেত্রাঘাত করেন শিক্ষক আহাদ হোসেন। পরে ছাত্রকে ক্লাসরুমের ফ্লোরে ফেলে নির্মমভাবে লাথি মারেন। সেই সঙ্গে তাছিনের সহপাঠীদেরও আঘাত করেন।

ছাত্রের অভিভাবকের প্রতিক্রিয়া

খবর পেয়ে এসে দেখি আমার ছেলের পিঠে একাধিক বেত্রাঘাতের দাগ। প্রতিটি আঘাতের স্থান থেকে রক্ত ঝরছে। ছেলেকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে চিকিৎসার জন্য। আমি জানতে এসেছি, ছেলের অপরাধ কি আঘাতের থেকে কম না বেশি।

অভিযুক্ত শিক্ষক বলেন, ‘পড়া না পারার কারণে প্রথমে তাছিনকে বেত্রাঘাত করেছি। পরে সে আমার মা তুলে গালি দিলে মেজাজ হারিয়ে ফেলি। তবে বুঝতে পারিনি এমন হবে।’ ঘটনার পর শিক্ষক বলেন, ‘আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি অনুতপ্ত।’

প্রধান শিক্ষকের মন্তব্য

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল খালেক বলেন, ‘যে কারণেই হোক না কেন, এভাবে আঘাত করা শিক

Leave a Comment