News

মা-শিশুকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা, দেবরসহ গ্রেপ্তার ২

aefa6b31-eb9d-4dbf-8099-dc09a4ca1796-0

মা ও শিশুকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল, দেবর সহ দুই আসামি গ্রেপ্তার

নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পটভূমি

Banglabeacon.com – ম শ শ ক হ ত ড় – ম শ শ ক হ ত ড় – মানিকগঞ্জের দৌলতপুর এলাকায় পারিবারিক বিরোধের কারণে একজন মা ও তার এক বছর বয়সী শিশুকে হাতুড়ি দিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনার প্রধান আসামি সহ দুই ব্যক্তিকে ঢাকার শাহ আলী থানার অঞ্চলে একটি অভিযানের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে তাদের আবিষ্কার করা হয়, যেখানে তারা বাচামারা কাচারীপাড়া এলাকায় বাস করে। ঘটনার তিন-চার দিন আগে প্রত্যক্ষ পরিকল্পনা চালিয়ে এই নৃশংস হত্যার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, যা সাভারে একটি বাসায় হয়েছিল।

হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত বিবরণ

গত ৩০ মে রাতে বাচামারা কাচারীপাড়া এলাকায় হামলা চালানো হয়, যেখানে মা আমেনা খাতুন (৩২) ও তার শিশু আসলাম হোসেন (১ বছর) কে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। হামলার সময় আমেনার স্বামী ও ইউসূফের বড় ভাই আবদুস সালাম মোল্লাকে (৪৮) জখম করে গুরুতর আহত করা হয়। হত্যার পর থেকে ঘটনার সংঘটন হয়েছিল যে এ ক্ষেত্রে পারিবারিক বিরোধের স্বপ্ন সাক্ষী হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সূত্রে জানা যায়, আসামিদের মধ্যে ছিলেন নিহত মা আমেনার দেবর ইউসূফ মোল্লা (৪২) এবং তার সহযোগী মো. সুমন হোসেন (২৩)। তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। সাক্ষীদের বর্ণনায় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে ঘটনার পরিকল্পনা সাভারে একটি বাসায় তিন-চার দিন আগে হয়েছিল। ইউসূফ এলাকায় আসেন এবং বাসা ছেড়ে তার সহযোগীর সাথে পরিকল্পনা চালিয়ে যান।

মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ইনচার্জ পরিদর্শক মানবেন্দ্র বালো বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইউসূফ হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে পারিবারিক বিরোধের কথা স্বীকার করেছেন। বিষয়টি সম্পূর্ণ বিচারের মাধ্যমে স্থাপন করা হবে।” ঘটনার পর দেবর ও ভাগনে বাসায় গুরুতর আহত অবস্থায় আমেনার স্বামী বাচানো হয়। এ পর্যন্ত হত্যার প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে দুই আসামি, যাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

নিহত মা আমেনা খাতুন ছিলেন একজন স্বামী আবদুস সালাম মোল্লার স্ত্রী। তার ছেলে শিশু আসলাম হোসেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দা�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *