News

লিবিয়ায় ৭ মাস নির্যাতন, ৬৩ লাখে ফেরার ভয়ঙ্কর ঘটনা

লিবিয়ায় ৭ মাস নির্যাতন, ৬৩ লাখে ফেরার ভয়ঙ্কর ঘটনা পরিবারের সম্পূর্ণ মুক্তি পেয়েছেন সোহেল ল ব য় য় ৭ ম স - সোহেলের ইতালি গেলে চাকরি করার আশায় সে কুমিল্লার

Desk News
Published May 26, 2026
Reading time 1 minutes
Conversation No comments
Foto : Susan Brown - banglabeacon.com

লিবিয়ায় ৭ মাস নির্যাতন, ৬৩ লাখে ফেরার ভয়ঙ্কর ঘটনা

পরিবারের সম্পূর্ণ মুক্তি পেয়েছেন সোহেল

Banglabeacon.com – ল ব য় য় ৭ ম স – সোহেলের ইতালি গেলে চাকরি করার আশায় সে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থেকে প্রবাসে যাওয়ার জন্য বিশাল অর্থ দিয়েছিলেন। তার স্ত্রী উর্মি বেগম ও পরিবারের অন্য সদস্যরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে সোহেল ভালো করে তার বাড়িতে ফেরত আসবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের বদলে সোহেলকে লিবিয়ার ত্রিপলীতে আনা হয় একটি বিপর্যয় ঘটনার মাধ্যমে।

গত সপ্তাহে পিবিআই ঢাকা মেট্রো (উত্তর) প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সোহেলের উদ্ধার ঘটনার কথা ঘোষণা করেছে। তিনি অবশেষে মুক্তি পেলেন তার সূত্রপাত হয়েছিল মো. আলাউদ্দিন কবিরাজের মাধ্যমে। দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, রিয়াজুল মাদবর ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে সোহেল ইতালি যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন।

প্রথম ধাপে সোহেলকে দেওয়া হয়েছিল ৪ লাখ টাকা, পরে বিভিন্ন সময়ে ৬ লাখ, ৫ লাখ ও ৮ লাখ টাকা দিয়ে তার আদায় করা হয়। কিন্তু ইতালি যাওয়ার বদলে ত্রিপলীতে নিয়ে গিয়ে তাকে আহত করে মারধর করা হয়। তার শরীরে ব্লেডের চিহ্ন ও বৈদ্যুতিক তারের ক্ষত দেখা যায়।

ত্রিপলীতে সোহেলের ইমো অ্যাকাউন্টে তার স্ত্রী উর্মি বেগমকে ভিডিও পাঠানো হয়। সেই ভিডিওতে রক্তাক্ত সোহেলের চিত্র দেখা যায়। এছাড়া তাকে নগ্ন করে হাত-মুখ বেঁধে নির্যাতন করা হয়। অপহরণকারীরা জানায়, জীবিত ফেরত পেতে তার পরিবারকে আরও ২৫ লাখ টাকা দিতে হবে।

গত ২১ এপ্রিল টিটু মীর ও রহিমা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মোবাইল ফোন জব্দ করে তথ্য বিশ্লেষণ করে আরও আসামি চিহ্নিত করা হয়। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের সহায়তায় চক্রটির ব্যাংক হিসাবগুলি ফ্রিজ করা হয়। পিবিআই বলেছে, সাত মাস ধরে এই চক্রটি শতাধিক ব্যক্তিকে নির্যাতন করে অর্থ আদায় করছিল।

সোহেলকে ত্রিপলীতে নিয়ে গিয়ে তাকে বিক্রি করে দেওয়া হয়। অপহরণকারীরা বলেছিলেন, জীবিত ফেরত পেতে তার পরিবারকে আরও ২৫ লাখ টাকা দিতে হবে।

৬ এপ্রিল তুরাগ থানায় মামলা করার পর পিবিআই নিজ উদ্যোগে তদন্ত শুরু করে। তারা সোহেলের সন্ধান পেয়ে লিবিয়ার ত্রিপলীতে তাকে আইওএম-এর নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করে। সর্বশেষ সোমবার (২৫ মে) হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সোহেলকে হেফাজতে আনা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

এই ঘটনার পর পিবিআই বৈধ পথে ও ভিসা ছাড়া বিদেশে না যেতে সতর্ক করে

Leave a Comment