News

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে অংশীজনদের আপত্তি

031fd607-8970-4b94-9b0b-5d725744e273-0

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে অংশীজনদের আপত্তি

শিল্প খাতের আপত্তি সংগ্রহ করা হয়েছে

Banglabeacon.com – ব দ য ত র দ ম – বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত দ্বিতীয় দিনের গণশুনানিতে সাতটি বিদ্যুত বিতরণ সংস্থা বাড়তি দামের প্রস্তাব উপস্থাপন করে। সরকারি কোম্পানিগুলো খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানোর আবেদন করেছে, যেখানে দামের বৃদ্ধি ৬ থেকে প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে।

প্রস্তাবে গ্রাহকশ্রেণি পুনর্নির্ধারণ ও প্রি-পেইড মিটারে নতুন চার্জ আরোপের আবেদন সহ আরও কয়েকটি পরিবর্তন আনীত হয়েছে। বাণিজ্যিক ট্যারিফের আওতায় আনা বেসরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে গণশুনানিতে আপত্তি জানিয়ে ভোক্তা অধিকার সংগঠন, রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেন।

“বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সংকট, কাঁচামালের উচ্চ মূল্য এবং উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দেশীয় শিল্প খাত এমনিতেই টিকে থাকার লড়াই করছে। এই অবস্থায় নতুন করে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা হলে তা বহন করার মতো ক্ষমতা শিল্প খাতের নেই।”

ট্যারিফ পরিবর্তনের সমস্যা সংক্রান্ত তথ্য

বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির উপস্থাপনায় ঘোষণা করা হয়, ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ছয়টি বিতরণ সংস্থা ও কোম্পানির মোট গ্রাহক সংখ্যা ৪ কোটি ৯৮ লাখের বেশি। এর মধ্যে গৃহস্থালি গ্রাহক ৪ কোটি ২৫ লাখের বেশি এবং লাইফলাইন গ্রাহক প্রায় ২ কোটি ৮০ লাখ। সরবরাহ ব্যবস্থার তথ্য অনুযায়ী, বিতরণ লাইনে গড় সিস্টেম লস ৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ হলেও কিছু সংস্থায় এই ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

বিপিডিবির দাবি অনুযায়ী, ইউনিটে ঘাটতি ‘২৯ পয়সা’। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বর্তমান ট্যারিফ বজায় থাকলে প্রতি ইউনিটে সম্ভাব্য ঘাটতি ২৯ পয়সা হব

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *