News

শ্রীমঙ্গলে পর্যটন ও শিল্পে নতুন দিগন্ত

9f10c0ba-8e39-4d9e-a05f-8cd83ed431cd-0

শ্রীমঙ্গলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন

Banglabeacon.com – শ র মঙ গল পর যটন ও – মৌলভীবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটি প্রধান আকর্ষণ শ্রীমঙ্গল এখন পর্যটনের কেন্দ্র থেকে বাণিজ্য ও শিল্পের নতুন বিকাশের ছাত্র হয়ে উঠেছে। এই উপজেলার চা-শিল্প ও পর্যটন খাত অধিক দূর পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে, যার ফলে বিভিন্ন গ্রাম তার ব্যাপক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

নোয়াগাঁওয়ের প্রসার

শ্রীমঙ্গল শহরের সাম্য সাম্য দূরে অবস্থিত নোয়াগাঁও গ্রাম প্রায় এখন একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এই পরিবর্তনের ভিত্তি রয়েছে গ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস এবং স্থানীয় নেতৃত্বের অগ্রগামী প্রচেষ্টা। ব্রিটিশ আমল থেকে সচেতন জনপদ হিসেবে পরিচিত এলাকাটি দেশভাগের পর অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তৎকালীন জনপ্রতিনিধি যতীন্দ্রমোহন দত্ত চৌধুরী এ অঞ্চলের গঠনমূলক বিকাশে প্রধান ভূমিকা পালন করেন।

যতীন্দ্রমোহনের উত্তরসূরি ধীরেন্দ্র দত্ত চৌধুরী ও রাসেন্দ্র দত্ত চৌধুরী যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সড়কপথের সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। এসব সংস্কারের ফলে বিশাল শিল্পপ্রতিষ্ঠান নোয়াগাঁওয়ের দিকে আকৃষ্ট হয়েছে। বর্তমানে এখানে প্রাণ-আরএফএল-এর মাছের হ্যাচারি, হেলদি চয়েজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, বাংলাদেশ বনশিল্প করপোরেশন, ইস্পাহানি টি কোম্পানি ও ন্যাজারিন মিশনের মতো প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

স্থানীয় উদ্যোক্তাদের মতে, পরিকল্পিত সরকারি সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে নোয়াগাঁও অচিরেই দেশের একটি আদর্শ ‘অর্থনৈতিক গ্রাম’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

ব্যবসায়ীদের মতে, নোয়াগাঁওয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি এর যোগাযোগব্যবস্থা। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের খুব কাছে হওয়ায় এখান থেকে চট্টগ্রাম বন্দর, আশুগঞ্জ নৌবন্দর এবং ঢাকা ও সিলেটের বিমানবন্দরে পণ্য পরিবহন সহজ। এ ছাড়া সড়ক ও রেলপথের সুবিধা থাক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *