News

আমার সংবাদ, সংবাদের আমি

Techtaranga.com_17792730812691

আম র স ব দ স ব: সংবাদের আমি কীভাবে পথ খুঁজে পেয়েছি

Banglabeacon.com – আম র স ব দ স ব নিয়ম মতো লেখা দেয়ার জন্য আমাকে পরামর্শ দেয়ার পর কৌতুহল ছাড়া কাজটি করতে হয়েছিল। সংবাদের স্বত্ত্বাধিকারী বজলুর রহমান এবং হাসনাত ভাইয়ের সাথে আলোচনার পর আমি একটি রুমে বসে নিঃশব্দে চা বোতলটা বাক্সে বসিয়ে দেয়া হয়। তাদের হাত দিয়ে আমাকে থামিয়ে রাখেন। কাগজের মধ্যমার মাঝে তর্জনী ও মধ্যমার মাঝে ধরা সিগারেটে বড় করে সুখটান দেন তিনি।

সংবাদ লেখার দুর্দান্ত প্রতিযোগিতা

‘ল্যাহা শ্যাষ করলে ছাইড়া দিয়েন’, ওপরের দিকে তাকিয়ে তৃপ্তির ধোঁয়া ছাড়েন।

তখন পর্যন্ত আমার সেই বিকল্প সপ্তাহের কলাম লিখতে হয়েছিল আমাকে। আর কাজটি করতে দেরী হচছিল আমার কাছে। আমার আলসেমিই আমাকে গ্রাস করে নিয়ম মতো লেখা দিতে পারছিলাম না। কিন্তু বুঝতে পারছিলাম আমি কোন নিয়মে আটকা পড়েছি। বজলু ভাইয়ের সম্মুখে আমি চেয়ারে বসে আছি কৌণিকভাবে। মানি করতে হয়েছিল সোমবারে লেখা দেয়ার জন্য।

বজলু রহমান ভাইয়ের পরামর্শ এবং আমার কাজের গুরুত্ব

‘ল্যাহা সুড় সুড় কইরা বাইরাইয়া আইবো’, বিড় বিড় করে কথা শেষ করেন তিনি।

অত নিয়ম কি মানা যায়? অন্য কাজ আছে না? সেই কথাটাই তো হাসনাত ভাইকে বলতে এসেছিলাম। আমার প্রতি তিনি অনেক বেশী সহানুভূতিশীল হবেন নিশ্চয়ই। কিন্তু সেদিন তিনি আমার সঙ্গে সব রকমের চোখাচোখি এড়াতে চান। গভীর মনোযোগে কাগজের স্তুপের ওপর মাথা নামিয়ে আনেন তিনি। আমার শেষ ভরসাও গেল।

তার আগে সংবাদে লিখতাম অনিয়মিত ভাবে। বেশ কয়েক বার সময় মতো লেখা না দিয়ে হাসনাত ভাইকে বিপদে ফেলেছি। আমি বজলু ভাইয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করি। তিনি আমার কাঁধে হাত দিয়ে বলেন, ‘মনজুরের মতো সময় মতো লেখা দিলেই তো আর কোন সমস্যা হয় না।’ আমার সম্পাদকেরা আমাকে শুধু তাড়া দেন নি, আমাকে ছায়াও দিয়েছেন। আশ্বাসের ছায়া, উদ্দীপনার ছায়া, আস্থার ছায়া। সংবাদের প্রতি আমার এতদূর পর্যন্ত পৌঁছতে সাহায্য করেছে ছায়াগুলি।

এ সব ছায়া ঢাকা পথে হেঁটে হেঁটেই তো জীবনের এতদূর পথ পেরিয়ে এসেছি। সংবাদের অনেক দিয়েছে আমাকে – পাঠক হিসেবে, লেখক হিসেবে। চূড়ান এই শেষ আশা দিয়েছে।

আম র স ব দ স ব কাজে আমি নিজেকে পরিশোধ করেছি এবং লেখা�

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *