Bangladesh

পটিয়ায় কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৩

Techtaranga.com_17904144324679

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুই অভিযানে ৩৩ হাজারের বেশি ইয়াবা উদ্ধার

Banglabeacon.com – পট য় য় ক ট ট ক – চট্টগ্রামের পটিয়া ও সাতকানিয়ায় একই দিনে পৃথক তল্লাশি অভিযানে ৩৩ হাজার ৪২৮টি ইয়াবা উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত একটি সবুজ রঙের নম্বরবিহীন সিএনজিচালিত অটোরিকশাও জব্দ করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩০০ হাজার টাকা। শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর গণমাধ্যমকে অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেন এসআরবি-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফফর হোসেন।

সাতকানিয়ায় অটোরিকশা থেকে ৩১ হাজার ইয়াবা

প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে সাতকানিয়া থানার ছদাহা এলাকায়। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সেখানে একটি অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। এ সময় একটি নম্বরবিহীন সবুজ সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে থামানো হয়।

তল্লাশির সময় অটোরিকশাচালক মো. আকিবকে আটক করা হয়। পরে গাড়িটির যাত্রী সিটের পেছনে রাখা স্কচটেপে মোড়ানো চারটি প্লাস্টিকের ব্যাগ পাওয়া যায়। ব্যাগগুলো খুলে ৩১ হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই চালানের আনুমানিক মূল্য ৯৩ লাখ টাকা বলে জানানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার আকিবের বয়স ২১ বছর। তিনি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মৃত নজির আহমেদের ছেলে। উদ্ধার করা ইয়াবার পাশাপাশি অটোরিকশাটিও জব্দ করা হয়েছে, যা বহনের কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযানের তথ্য থেকে উঠে এসেছে।

মহাসড়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি পরিচালনা করা হলে সন্দেহজনক যানবাহন ও যাত্রীদের ওপর নজরদারি বাড়ে। এ ঘটনায় একটি যানবাহনের ভেতরে বিশেষভাবে প্যাকেট করে মাদক রাখার বিষয়টিও সামনে এসেছে। চারটি প্লাস্টিকের ব্যাগ স্কচটেপে মোড়ানো অবস্থায় থাকায় সেগুলো স্বাভাবিক চোখে সহজে শনাক্ত না হওয়ার চেষ্টা ছিল বলে ধারণা করা যায়।

পটিয়ায় বাসযাত্রীর কোমর থেকে ইয়াবা উদ্ধার

একই দিন পটিয়া থানার কমল মুন্সীর হাট এলাকার কাছেও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে আরেকটি অস্থায়ী চেকপোস্টে অভিযান চালানো হয়। সেখানে ‘তিশা প্ল্যাটিনাম’ পরিবহনের একটি বাসে যাত্রী হিসেবে থাকা জসিম উদ্দিন ও রিমা বেগমকে আটক করা হয়।

পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে কোমরে লুকিয়ে রাখা ২ হাজার ৪২৮টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ চালানের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। দুই অভিযানে উদ্ধার করা ইয়াবার সংখ্যা ও মূল্য একত্র করলে দেখা যায়, সাতকানিয়ার অভিযানে বড় অংশটি উদ্ধার হলেও পটিয়ার ঘটনাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক পাওয়া গেছে।

জসিম উদ্দিনের বয়স ৫০ বছর এবং রিমা বেগমের বয়স ৩৫ বছর। তারা দুজনই লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার কুসাখালী এলাকার বাসিন্দা। বাসে সাধারণ যাত্রীর ছদ্মবেশে চলাচলের সময় তাদের আটক করা হয় বলে জানানো হয়েছে।

দেহে লুকিয়ে ইয়াবা বহনের ঘটনা যাত্রীবাহী পরিবহনে তল্লাশির প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দেয়। একই মহাসড়কের দুই ভিন্ন স্থানে পরিচালিত অভিযানে অটোরিকশা ও বাস—দুই ধরনের যানবাহনের সঙ্গে মাদক পরিবহনের অভিযোগ উঠে এসেছে। এতে সড়কপথে নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান

এসআরবি জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতেই দুটি অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের সময় পাওয়া ইয়াবা, জব্দ অটোরিকশা এবং গ্রেপ্তার তিনজনকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সংশ্লিষ্ট থানার মাধ্যমে এগোবে।

“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।”

দুটি অভিযানের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া মোট ৩৩ হাজার ৪২৮টি ইয়াবার মধ্যে ৩১ হাজার পাওয়া গেছে সাতকানিয়ার অটোরিকশা থেকে। বাকি ২ হাজার ৪২৮টি পটিয়ায় বাসের দুই যাত্রীর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। সংখ্যার এই পার্থক্য সত্ত্বেও উভয় ক্ষেত্রেই মাদক পরিবহনের অভিযোগে ব্যক্তিদের আটক করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে নিয়মিত যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল করে। ফলে এই সড়কে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার সময় সাধারণ যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহন শনাক্ত করাও গুরুত্বপূর্ণ। শুক্রবারের দুটি অভিযানে পুলিশি চেকপোস্টে তল্লাশির মাধ্যমে মাদক উদ্ধারের ঘটনা সেই বাস্তবতাই তুলে ধরে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কী ধরনের মামলা হবে বা তদন্তে আর কোনো ব্যক্তি কিংবা নেটওয়ার্কের তথ্য পাওয়া যাবে কি না, সে বিষয়ে এ পর্যায়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। তবে উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করায় ঘটনাগুলোর আইনগত তদন্তের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার হওয়া প্রতিটি চালান, পরিবহনের পদ্ধতি এবং আটক ব্যক্তিদের তথ্য তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অটোরিকশার সিটের পেছনে প্যাকেট লুকিয়ে রাখা এবং শরীরে বহনের দুটি আলাদা কৌশল একই দিনে ধরা পড়েছে। এসব তথ্য মাদক পরিবহনের সম্ভাব্য পদ্ধতি শনাক্ত ও ভবিষ্যৎ তল্লাশি কার্যক্রমে সহায়ক হতে পারে।

Frequently Asked Questions

What is পট য় য় ক ট ট ক?

পট য় য় ক ট ট ক is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.

Why does পট য় য় ক ট ট ক matter?

পট য় য় ক ট ট ক matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *