দুই সন্তানকে পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে
দ ই সন ত নক প ন - সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক কলহের জেরে এক বাবা নিজের দুই ছোট্ট সন্তানকে হাওরের পানিতে ফেলে হত্যা করেছেন। এই
Table of Contents
পারিবারিক বিরোধে বাবা দুই শিশু সন্তানকে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন
Banglabeacon.com – দ ই সন ত নক প ন – সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। পারিবারিক কলহের জেরে এক বাবা নিজের দুই ছোট্ট সন্তানকে হাওরের পানিতে ফেলে হত্যা করেছেন। এই মামলায় কামরুল হাসান নামের এক ত্রিশ বছর বয়সী ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তিনি পেশায় একজন ফেরিওয়ালা এবং দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের ছেলে।
ঘটনার বিস্তারিত
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, কামরুলের মা ও স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া চলছিল। এই বিরোধের অবসান না হওয়ায় গত শুক্রবার দুপুরে স্ত্রীর সাথে কামরুলের তীব্র কথা-কাটাকাটি হয়। রাগের মাথায় তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন।
কামরুলের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, তিনি প্রথমে দুই শিশুকে নিয়ে সিলেটে যান এবং সেখানে দুই দিন কাটান। রোববার বিকেলে তিনি সিলেট থেকে বাসে করে দিরাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথে শান্তিগঞ্জ উপজেলার ডাবর এলাকায় বাস থেকে নেমে অন্ধকার হাওরে মেয়ে তুলনাকে ফেলে দেন তিনি। এরপর সুনামগঞ্জ সদর থানার মদনপুর এলাকায় গিয়ে ছেলে মুহাদ্দিসকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অবচেতন অবস্থায় হাওরে ফেলে দেন।
নিহত শিশুদের মধ্যে ছয় বছর বয়সী মুহাদ্দিস মিঞা এবং তিন বছর বয়সী তুলনা বেগম।
মরদেহ উদ্ধার ও স্বীকারোক্তি
মঙ্গলবার শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ দেকার হাওর থেকে তুলনা বেগমের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর বুধবার সুনামগঞ্জ সদরের লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকা থেকে মুহাদ্দিসের অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায়।
চরনারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরিতোষ রায় বলেন, ‘সোমবার রাতে কামরুল একা বাড়ি ফেরেন। গ্রামবাসীর সন্দেহ হলে আজ সকালে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন তিনি নিজেই দুই সন্তানকে হাওরে ফেলে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে দিরাই থানা পুলিশ তাকে নিয়ে যায়।’
কামরুল হাসান নিজের দুই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পারিবারিক কলহ থেকেই তিনি এমন চরম ও নৃশংস পথ বেছে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তাকে সুনামগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম এই বিষয়ে বলেন, ‘কামরুল হাসান নিজের দুই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পারিবারিক কলহ থেকেই তিনি এমন চরম ও নৃশংস পথ বেছে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তাকে সুনামগঞ্জ সদর থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।’ সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, শিশুদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is দ ই সন ত নক প ন?
দ ই সন ত নক প ন is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does দ ই সন ত নক প ন matter?
দ ই সন ত নক প ন matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.