ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত কল রেকর্ডে ওবায়দুল কাদের-সাদ্দামের সংলাপ
Banglabeacon.com – ওব য়দ ল ক দ র স – জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার যুক্তিতর্কের দ্বিতীয় দিনে প্রসিকিউশন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কল রেকর্ড দাখিল করেছে। রাষ্ট্রপক্ষের দাবি অনুযায়ী, এই অডিও রেকর্ডে তৎকালীন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনের মধ্যে একটি কথোপকথন ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ ৬ আগস্ট, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলের সামনে এই প্রমাণটি উপস্থাপন করা হয়।
আদালতে প্রদর্শিত অডিওতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে যে, সাদ্দাম হোসেন তৎকালীন সেতুমন্ত্রীকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন কর্মসূচি, সমাবেশ এবং সংবাদ সম্মেলনের বিষয়ে অবহিত করছেন। এই আলোচনার এক পর্যায়ে ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন করে বলতে শোনা যায়, “তোমরা কিছু করো না কেন? মারো না কেন ওদের? চড়া হতে দাও কেন ওদের?”
সাদ্দাম হোসেন তাদের ‘নিষেধ করা হয়েছে’ জানালে ওবায়দুল কাদের বলেন, “তোমরা বললা আজকে থেকে হালকা হয়ে যাবে সব। কই হালকা হইল? সমাবেশ মানে এখানে জামায়াত আর বিএনপি যোগ হয়েছে।”
এই সময়ে সাদ্দাম হোসেন জানান যে, রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার নির্দেশ পেলে তারা সেটি করতে পারবেন। তবে সেদিন শাহবাগের দিকে বা আন্দোলনকারীদের মুখোমুখি হতে তাদের পুলিশ এবং ‘বিপ্লব দা’-র পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করা হয়েছিল।
শুনানি শেষে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম সাংবাদিকদের জানান যে, ২০২৪ সালের ১১ জুলাইয়ের এই কথোপকথনের রেকর্ডটি সিআইডির তরফে ফরেনসিক করে ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে, রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অধীনস্ত কাউকে ‘পিটাও না কেন ওদের, মারো না কেন, বাড়তে দাও কেন’- এই ধরনের নির্দেশ দেওয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের অধীনে স্পষ্টত ‘উসকানি’ (ইনসাইটমেন্ট) দেওয়ার অপরাধ।
প্রসিকিউটর বলেন, “সামনে বলছেন প্রতিরোধ, কিন্তু ফোনে এবং কার্যকরভাবে উনারা আসলে প্রতিরোধ না, আক্রমণের কথাই বলেছেন।”
ওবায়দুল কাদের ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট পর্যন্ত সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী এবং ২০১৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭৩ সালের আইনের অধীনে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধের বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত হলেও বর্তমানে এটি জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনার মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারও করছে।
Related Reading
Frequently Asked Questions
What is ওব য়দ ল ক দ র স?
ওব য়দ ল ক দ র স is the main topic of this guide. The article explains the context, practical details, and next steps readers should understand.
Why does ওব য়দ ল ক দ র স matter?
ওব য়দ ল ক দ র স matters because readers are looking for a useful answer, not just a short summary. Good content should match search intent and help them decide what to do next.